গবেষণায় দেখা গেছে, খনিজটির দানার আকার ১০ মাইক্রোমিটারেরও কম এবং এতে বিশেষ ধরনের প্রতিপ্রভা বা ফ্লুরোসেন্স বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, চাঁদের চরম তাপমাত্রা ও চাপের কারণে এটি তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই খনিজ ব্যবহার করে ভবিষ্যতে আরও সাশ্রয়ী ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এলইডি তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। পাশাপাশি ইলেকট্রনিকস শিল্পে ব্যবহৃত উপকরণের কার্যকারিতা বাড়াতেও এটি সহায়ক হতে পারে।
কমিশন অন নিউ মিনারেলস অ্যান্ড মিনারেল নেমস জানিয়েছে, খনিজটির ফ্লুরোসেন্ট বৈশিষ্ট্য এটিকে পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে পরিণত করতে পারে।
গবেষকরা আরও বলছেন, এই আবিষ্কারের মাধ্যমে চাঁদের গঠন প্রক্রিয়া এবং পৃথিবী–চাঁদের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে।








