কোস্টা রিকার কোকোস আইল্যান্ডও জলদস্যুদের গুপ্তধনের জন্য বিখ্যাত। ধারণা করা হয়, স্প্যানিশ জাহাজের লুট করা বিপুল সোনা এখানে লুকানো আছে, যদিও বড় কোনো সফল আবিষ্কার হয়নি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা কিজে ডুবে থাকা জাহাজ থেকে ১৯৮৫ সালে উদ্ধার করা হয় বিপুল সোনা ও রত্ন, যা আধুনিক ইতিহাসে অন্যতম বড় সামুদ্রিক ধন আবিষ্কার হিসেবে পরিচিত।
বুলগেরিয়ার পানাগিউরিশটে ট্রেজার প্রাচীন থ্রাসিয়ান সভ্যতার রাজকীয় সোনার সংগ্রহ, যা মাটির নিচ থেকে হঠাৎই আবিষ্কৃত হয়। এতে পাওয়া যায় অসাধারণ কারুকার্যখচিত সোনার পাত্র ও অলংকার।
ইংল্যান্ডের স্টাফোর্ডশায়ার হোর্ডে পাওয়া যায় হাজার হাজার সোনার-রূপার জিনিস, যা অ্যাংলো-স্যাক্সন যুগের গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস উন্মোচন করে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্যাডল রিজে ক্যানের ভেতর পাওয়া যায় শত শত সোনার কয়েন, যা হঠাৎ আবিষ্কারের অন্যতম আলোচিত ঘটনা।
এছাড়া আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরেও এখনো বহু ডুবে থাকা জাহাজ ও ধনসম্পদ অজানা অবস্থায় রয়ে গেছে, যা ভবিষ্যতের গবেষকদের জন্য বড় রহস্য হয়ে আছে।
সব মিলিয়ে এসব আবিষ্কার প্রমাণ করে—গুপ্তধন শুধু সম্পদ নয়, বরং মানব ইতিহাসের হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়ের এক জীবন্ত দলিল।








