রিজভী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ এ দেশের মানুষের রক্তের ইতিহাস। ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা কোনোভাবেই বিস্মৃত হওয়ার নয়। কেউ যদি ইতিহাসকে বিকৃত বা ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, জাতি তা প্রতিহত করবে।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে সংগঠনগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তার মতে, তরুণদের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়াই এখন সময়ের দাবি।
নবগঠিত কমিটির কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি জানান, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংগঠন বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
রিজভী আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে চলমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু এবং অন্যান্য নেতারা।
রিজভী শেষ বক্তব্যে বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় নতুন প্রজন্ম অঙ্গীকারবদ্ধ। কোনো অপচেষ্টা সফল হবে না।”








