এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খান তার প্রার্থিতা বাতিল করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনিরা শারমিন ২০২৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার হিসেবে যোগ দেন এবং ২০২৫ সালে পদত্যাগ করেন। তবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এর ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী, সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের চাকরি ছাড়ার পর তিন বছর পূর্ণ না হলে কেউ সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য বিবেচিত হন না। এ বিধান অনুযায়ী তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের বাছাই শেষে বৈধ ও বাতিল তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল ও নিষ্পত্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
ইসি সূত্র জানায়, আজ ২৬ এপ্রিল আপিল গ্রহণ করা হবে এবং ২৭ ও ২৮ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। এরপর ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ১২ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
মনিরা শারমিনের আপিলের পর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই তার প্রার্থিতার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।







