প্রতিবেদনে চিহ্নিত করা হয়েছে যে, বিশ্বের অধিকাংশ ক্ষুধার্ত মানুষ মূলত এই ১০টি দেশে সীমাবদ্ধ:
আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, কঙ্গো, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেন। বাংলাদেশ ও সিরিয়ার মতো কিছু দেশে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি পরিলক্ষিত হলেও আফগানিস্তান, কঙ্গো, মিয়ানমার ও জিম্বাবুয়েতে খাদ্য সংকট উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানত দুটি কারণে এই সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে:
দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া উৎপাদন ব্যবস্থাকে ব্যাহত করছে।চলমান যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং সার ও জ্বালানির উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হয়েছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) প্রধান আলভারো লারিও সতর্ক করে বলেন:
রোপণের মৌসুমে জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি খাদ্য উৎপাদনের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয়ভাবে সার উৎপাদন এবং মাটির গুণগত মান উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পানি ও জলবায়ু সহনশীল ফসলের চাষে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
প্রতিবেদনে একটি আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে যে, বৈশ্বিক এই সংকটকালে আন্তর্জাতিক মানবিক সাহায্যের পরিমাণ দ্রুত কমে যাচ্ছে। অর্থায়নের এই ঘাটতি যুদ্ধবিধ্বস্ত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর খাদ্য নিরাপত্তাকে আরও ভঙ্গুর করে তুলতে পারে।






