গালিবাফ আরও দাবি করেন, সব ফ্রন্টে সংঘাত ও “ইহুদিবাদী আগ্রাসন” বন্ধ না হলে এবং সমুদ্রপথে আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার না করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির কোনো সমাধান সম্ভব নয়। তিনি বলেন, সংকট নিরসনের একমাত্র পথ হলো ইরানের অধিকারকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি ইস্যু বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল পরিবহন এই সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে এই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট ও দামের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।








