পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বৃদ্ধিতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, ভোগ্যপণ্য উৎপাদনে প্রতিষ্ঠানটি দেশে ও বিদেশে যে অবস্থান তৈরি করেছে তা প্রশংসনীয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, যা দেশের শিল্প খাতে একটি বড় অবদান। সরকার বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো বেকারত্ব কমিয়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা এবং উৎপাদন খাতকে আরও শক্তিশালী করা। এ ক্ষেত্রে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে।
অন্যদিকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা বলেন, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি জানান, সাশ্রয়ী দামে মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রাণ পণ্য বিশ্বের ১৪৮টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই বাজার আরও বিস্তৃত করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই তাদের লক্ষ্য।
পরিদর্শনকালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।








