বোন ম্যারো টেস্টে এই রোগ ধরা পড়ার পর জানা গেছে, এটি তাঁর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এছাড়া যক্ষ্মা এবং ডেঙ্গুর সংক্রমণের ফলে তাঁর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বর্তমানে প্রায় শূন্যের কোঠায়।
দ্বিতীয়বার হাসপাতালে ভর্তির সময় তাঁর ওজন ছিল ৯৮ কেজি, যা বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে ৮৪ কেজিতে। অর্থা ১৪ কেজি ওজন হারিয়েছেন তিনি। রক্তে শ্বেতকণিকার আশঙ্কাজনক হ্রাস এবং আগের একটি মেরুদণ্ডের অস্ত্রোপচারের পরবর্তী জটিলতা তাঁর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
শাপুরের অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বজুড়ে শোক ও সহমর্মিতার জোয়ার বইছে।
পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “তুমি মাঠের একজন লড়াকু যোদ্ধা ছিলে, আমি জানি এই লড়াইয়েও তুমি জিতবে।”রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী এবং উমর আকমলসহ অনেক তারকা ক্রিকেটার তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি) বর্তমানে তাঁর চিকিৎসার খরচ বহন করছে এবং রশিদ খান ব্যক্তিগতভাবে তাঁর ভিসা প্রক্রিয়াকরণে বিশেষ সহায়তা প্রদান করেছেন।
২০১৫ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক জয়ে সেই অবিস্মরণীয় উইনিং রানটি এসেছিল শাপুরের ব্যাট থেকেই। লম্বা চুল উড়িয়ে তাঁর বোলিং রান-আপ ছিল ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম পরিচিত দৃশ্য।








