প্রথম ধাক্কার পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন মোহাম্মদ আব্বাস ও নিক কেলি। তাদের ৫৬ রানের জুটি ভাঙেন আবারও নাহিদ। উইকেটের পেছনে লিটন দাসের ক্যাচে আউট হন আব্বাস। এতে দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড।
দলের হয়ে একমাত্র লড়াইটা চালিয়ে যান নিক কেলি। অর্ধশতক তুলে নিয়ে ইনিংস টেনে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শরিফুল ইসলামের বলে আউট হয়ে তার প্রতিরোধের ইতি ঘটে। এরপর জশ ক্লার্কসনকে ফেরান রিশাদ হোসেন।
এরপর আবার আঘাত হানেন নাহিদ রানা। প্রথম ম্যাচের নায়ক ডিন ফক্সক্রফটকে ফিরিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট তুলে নেন তিনি। ফলে ১৬৪ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে নিউজিল্যান্ড।
শেষ দিকে ব্লেয়ার টিকনার ও অন্য ব্যাটাররা চেষ্টা করলেও বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি। দুইশ রানের আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কা যখন ঘনিয়ে আসে, তখন জেইডেন লেনক্সকে আউট করে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার পূর্ণ করেন নাহিদ।
শেষ উইকেট হিসেবে উইল ও’রুর্ককে আউট করেন তাসকিন আহমেদ। তাওহিদ হৃদয়ের দারুণ ক্যাচে শেষ হয় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
নাহিদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচে শক্ত অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ। এখন ব্যাটিংয়ে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেই জয়ের পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে টাইগাররা।








