রবিবার এক বিবৃতিতে বিপিসি জানায়, ওই প্রতিবেদনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি থেকে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সংগ্রহ না করার যে দাবি করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং বিপিসি নিয়মিতভাবে এসব বেসরকারি রিফাইনারি থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিকবার সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধও জানিয়েছে।
বিপিসি আরও জানায়, ৮ এপ্রিল তারিখে অকটেন ও পেট্রোল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে কোনো চিঠি দেওয়ার তথ্যও সম্পূর্ণ অসত্য। প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করে বলেছে, দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় উৎস থেকে জ্বালানি গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে, পাশাপাশি চাহিদা পূরণে আমদানি কার্যক্রমও চলমান।
সংস্থাটির দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি থেকে ১১ হাজার ৬১৫ মেট্রিক টন অকটেন, ৭ হাজার ১৭৭ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ১২ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন ডিজেল গ্রহণ করা হয়েছে।
একই সময়ে অ্যাকোয়া রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ২৯১ মেট্রিক টন অকটেন, ৪ হাজার ১৩ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৫৮১ মেট্রিক টন ডিজেল সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি পেট্রোম্যাক্স রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ৩ হাজার ২৬৪ মেট্রিক টন অকটেন, ১ হাজার ২৫৪ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ৮৯৬ মেট্রিক টন ডিজেল গ্রহণ করা হয়েছে।
বিপিসি আরও জানিয়েছে, চলতি মাসের বাকি সময়েও দেশীয় উৎস থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি গ্রহণের সুযোগ রয়েছে, যা আগের মাসগুলোর তুলনায় বেশি।
সব মিলিয়ে, দেশে উৎপাদিত জ্বালানি না নেওয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে বিপিসি বলছে, দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি—দুই উৎস থেকেই সমন্বিতভাবে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।





