তিনি তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানান, যারা জাতীয় নীতিনির্ধারণে নারীর বৃহত্তর অংশগ্রহণের স্বপ্ন দেখছিলেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত দুঃখের দিন। ভোটের ঠিক আগে তিনি এই বিলের গুরুত্ব নিয়ে জোরালো বক্তব্য দিলেও শেষ পর্যন্ত এটি আটকে যাওয়ায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে মর্মাহত।
কঙ্গনা এই ঘটনাকে ‘বেদনাদায়ক ও লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি সরাসরি কংগ্রেস দলকে আক্রমণ করে অভিযোগ করেন যে, বিরোধীরা সব সীমা অতিক্রম করেছে এবং দেশের মেয়েদের মনোবল ভেঙে দিয়েছে।
নারী সংরক্ষণ বিলটি একটি সাংবিধানিক সংশোধনী হওয়ায় এটি পাসের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
বিরোধী দলগুলো বিলটির মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে একমত হলেও সীমানা পুনর্নির্ধারণ (Delimitation) প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করেছে। তাদের দাবি, এর ফলে দক্ষিণ ভারতসহ নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের প্রতি অবিচার করা হবে। এই সাংবিধানিক জটিলতার অজুহাতে তারা বিলটির বিপক্ষে অবস্থান নেয়।
এই বিলটির লক্ষ্য হলো লোকসভা এবং ভারতের প্রতিটি রাজ্য বিধানসভায় নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন নিশ্চিত করা। এটি পাস হলে দেশের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক হবে এবং সংরক্ষিত আসনগুলোতে কেবল নারী এমপি বা এমএলএ-রাই নির্বাচিত হতে পারবেন।
রাজনীতির পাশাপাশি এই দুই তারকার ক্যারিয়ারের হালচাল:
তাঁকে সর্বশেষ দেখা গেছে তাঁর নিজস্ব পরিচালনায় নির্মিত ‘ইমার্জেন্সি’ সিনেমায়, যেখানে তিনি ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সামনে আর মাধবনের বিপরীতে ‘সার্কেল’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর হলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে।
২০২০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘শিমলা মির্চি’ সিনেমার পর তাঁকে আর নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি। বর্তমানে তিনি তাঁর সংসদীয় এলাকা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই বেশি মনোযোগী।








