এর আগে ১২ জুন ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে শুরু হবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, যেখানে ১২টি দল অংশ নিয়ে ২৪ দিনে মোট ৩৩টি ম্যাচ খেলবে। সেই বড় আসরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই নতুন টুর্নামেন্টকে দেখা হচ্ছে।
আইসিসির এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সহযোগী (অ্যাসোসিয়েট) দেশগুলোর ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নেওয়া এবং তাদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার সুযোগ করে দেওয়া। এ কারণে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শীর্ষ দলগুলোকে এই টুর্নামেন্টে রাখা হয়নি।
প্রথম আসরে অংশ নেবে পাঁচটি দেশ—রুয়ান্ডা, ইতালি, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র ও ভানুয়াতু। দলগুলো ডাবল রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে একে অপরের বিপক্ষে খেলবে। লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে।
আইসিসি জানিয়েছে, তাদের পাঁচটি আঞ্চলিক অঞ্চলের মধ্যে থেকে যেসব দল গত বছর ইমার্জিং নেশনস ট্রফিতে অংশ নেয়নি কিন্তু বাছাইপর্বে ভালো করেছে, তাদের মধ্য থেকেই এই পাঁচ দল নির্বাচন করা হয়েছে।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক রুয়ান্ডা মুখোমুখি হবে ইতালির। অন্য ম্যাচে নেপাল খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। প্রতিযোগিতার সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে রুয়ান্ডার কিগালিতে অবস্থিত গাহাঙ্গা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দুটি ভেন্যুতে।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, এই টুর্নামেন্ট ভবিষ্যতে নারী ক্রিকেটের পরিধি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ছোট দলগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের প্রমাণের বড় সুযোগ তৈরি করবে।








