বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অফিসের কর্মঘণ্টা এক ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছে:সরকারি ও বেসরকারি অফিস: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে (আগে ৫টা পর্যন্ত ছিল)।
-
ব্যাংকিং সময়: গ্রাহক লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত। তবে আনুষঙ্গিক দাপ্তরিক কাজ শেষ করে বিকেল ৪টার মধ্যে ব্যাংক বন্ধ করতে হবে।
জ্বালানি সাশ্রয়ে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে:
-
সাধারণ দোকানপাট: সন্ধ্যা ৬টার পর সব মার্কেট, শপিংমল ও সাধারণ দোকান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক।
-
জরুরি সেবা (আওতামুক্ত): ওষুধের দোকান (ফার্মেসি), কাঁচাবাজার, খাবারের দোকান এবং হাসপাতাল সংলগ্ন জরুরি পরিষেবাগুলো এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে। ফার্মেসিগুলো প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা যাবে।
-
তদারকি: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসন এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে কঠোর মনিটরিং করবে।
এবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকটি প্রথাগত সচিবালয়ের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর কারণ হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান:
-
সময় ও যানজট সাশ্রয়: প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন গড়ে ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন। যাতায়াতের সময় বাঁচাতে এবং যানজট এড়াতে সংসদ ভবনেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
-
বিশেষ প্রেক্ষাপট: রাত পৌনে ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই বৈঠকটি দেশের বর্তমান জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে আলোচনার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।
সরকার মনে করছে, অফিসের সময় ১ ঘণ্টা কমিয়ে আনা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাজার বন্ধ করলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। বিশেষ করে গ্রীষ্মের এই সময়ে লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই পদক্ষেপ সহায়ক হবে। তবে হুট করে দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্তে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।







