সবুজ প্রযুক্তির মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয়ে এবারের তালিকায় যুক্ত হওয়া কারখানাগুলো হলো:
| কারখানার নাম ও অবস্থান | অর্জনকৃত পয়েন্ট | লিড ক্যাটাগরি ও রেটিং |
| মেহের গার্মেন্টস লিমিটেড, চট্টগ্রাম | ৮৯ পয়েন্ট | প্ল্যাটিনাম (Platinum) |
| উইন্টার ড্রেস লিমিটেড, সাভার | ৮৫ পয়েন্ট | প্ল্যাটিনাম (Platinum) |
| সুরমা গার্মেন্টস লিমিটেড, ঢাকা | ৭১ পয়েন্ট | গোল্ড (Gold) |
| এপিক গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং (ইউনিট-৭), নারায়ণগঞ্জ | ৬৭ পয়েন্ট | গোল্ড (Gold) |
| নাফা অ্যাপারেলস লিমিটেড (ইউনিট-২), ধামরাই | ৬৫ পয়েন্ট | গোল্ড (Gold) |
নতুন এই অর্জনের পর বাংলাদেশের সবুজ পোশাক খাতের বর্তমান চিত্র:
-
মোট লিড সনদপ্রাপ্ত কারখানা: ২৮০টি।
-
প্ল্যাটিনাম রেটেড (সর্বোচ্চ): ১১৮টি।
-
গোল্ড রেটেড: ১৪৩টি।
-
শীর্ষ ১০০-তে অবস্থান: বিশ্বের সেরা ১০০টি পরিবেশবান্ধব কারখানার মধ্যে অর্ধেকের বেশি (৫২টি) এখন বাংলাদেশে।
তৈরি পোশাক খাতের সংশ্লিষ্ট নেতারা জানিয়েছেন, এই অর্জন বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে বিদেশের বড় বড় ব্র্যান্ড ও ক্রেতারা পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে পরিবেশগত স্থায়িত্বকে (Sustainability) সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি, পানি সংরক্ষণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক ‘গ্রিন ম্যানুফ্যাকচারিং’ হাব-এ পরিণত হয়েছে।
তৈরি পোশাক খাত সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের অধিকাংশ রপ্তানিমুখী কারখানাকে সবুজ কারখানার আওতায় আনা সম্ভব হবে। এতে কেবল পরিবেশ রক্ষা পাবে না, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগটি গুণগত মান ও নৈতিক উৎপাদনের প্রতীক হিসেবে আরও শক্তিশালী হবে।







