চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন আবিষ্কৃত ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে অন্তত ১৩টি বড় তেলক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে ১০০ মিলিয়ন টনেরও বেশি তেলের মজুদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ২৬টি গ্যাসক্ষেত্রে ১০০ বিলিয়ন ঘনমিটারের বেশি প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ শনাক্ত করা হয়েছে।
তবে এই বিশাল মজুদের কতটা বাস্তবে উত্তোলনযোগ্য হবে, তা এখনও নির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন আবিষ্কারের ফলে চীনের প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বাড়তে পারে, আর তেল উৎপাদন বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন টনের কাছাকাছি স্থিতিশীল রয়েছে।
চীনা কর্মকর্তারা বলছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিদেশি নির্ভরতা কমাতে দেশটি বড় পরিসরে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। গত এক দশকে এই খাতে ৪৫০ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ৬৬ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগ করা হয়েছে, যার ফলে জ্ঞাত তেল ও গ্যাস মজুদ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে সরবরাহ অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে চীনের এই আবিষ্কার বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব ফেলতে পারে।
চীন বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হওয়ায় নতুন এই মজুদ তার আমদানি নির্ভরতা কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।








