ম্যাচের ২২ মিনিটে জোরালো শটে দলকে এগিয়ে নেন ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। এটি এবারের প্রতিযোগিতায় তাঁর সপ্তম গোল। প্রথমার্ধে অসংখ্য সুযোগ নষ্ট করলেও ম্যাচের যোগ করা সময়ে (ইঞ্জুরি টাইম) জয় নিশ্চিতকারী গোলটি করেন লুইস দিয়াজ।
প্রথমার্ধে বায়ার্ন ৯টি শট নিলেও লেভারকুসেন একটি শটও নিতে পারেনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে নাথান টেল্লার একটি শট রুখে দিয়ে ক্লিন শিট বজায় রাখেন ম্যানুয়েল ন্যয়ার।
আগামী ২৪ মে বার্লিনের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। ফাইনালে বায়ার্নের মুখোমুখি হবে স্টুটগার্ট ও ফেইবুর্গের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জয়ী দল। ম্যাচ শেষে কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “বার্লিনে ফাইনাল খেলতে যাওয়া ক্লাবের জন্য বড় অর্জন। তবে আমরা এখনো সব প্রতিযোগিতায় টিকে আছি এবং সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।”
জার্মান কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করার পর বায়ার্নের দৃষ্টি এখন ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের দিকে। আগামী সপ্তাহে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগ খেলতে তারা প্যারিসে পিএসজির (PSG) মুখোমুখি হবে। বুন্দেসলিগা শিরোপা নিশ্চিত করার পর এখন জার্মান কাপ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে ‘ট্রেবল’ জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাভারিয়ানরা।








