বিশ্বব্যাংকের এই পুনর্বিন্যাসে বলা হয়েছে, ভৌগোলিক অবস্থান অপরিবর্তিত থাকলেও অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তানের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান-এর অর্থনীতিতে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত প্রবাসীদের রেমিট্যান্স বড় ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি জ্বালানি আমদানিতেও মধ্যপ্রাচ্যের ওপর দেশটির নির্ভরতা রয়েছে। এসব কারণে দক্ষিণ এশিয়ার তুলনায় পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
এই পরিবর্তনের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ভারসাম্যে প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক আরও দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলে ভারতের অর্থনৈতিক প্রভাব তুলনামূলকভাবে আরও বাড়তে পারে।
তবে নতুন এই বলয়ে যুক্ত হওয়ার ফলে পাকিস্তানের জন্য কিছু সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের বিনিয়োগ, অর্থায়ন ও শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে সৌদি আরব ইতোমধ্যে পাকিস্তানকে আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, যা দেশটির অর্থনীতির জন্য স্বস্তির বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে ঝুঁকিও রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতা বা তেলের দামের ওঠানামা সরাসরি পাকিস্তানের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন।






