আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তার মোট সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হয়েছে। তবে তিনি গৃহবন্দি অবস্থায় থাকবেন কি না বা বাকি সাজা কীভাবে কার্যকর হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সু চির ঘনিষ্ঠরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন যে, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের মতে, ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতেই এসব মামলা করা হয়েছে।
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই মিয়ানমারে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে এবং দেশটিতে সংঘাত পরিস্থিতিও অব্যাহত রয়েছে। সু চিকে এরপর থেকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি এবং তার অবস্থান নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের সামরিক প্রশাসন কয়েক হাজার বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা দিয়েছে বলে জানা গেছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা একই সঙ্গে সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সু চির সাজা হ্রাস আন্তর্জাতিক চাপ ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও, মিয়ানমারের চলমান সংকটের সমাধানে এটি কতটা প্রভাব ফেলবে তা এখনো অনিশ্চিত।








