জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, এখনো কোনো চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত হয়নি। একটি বিশেষজ্ঞ টিম বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে কাঠামো চূড়ান্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ছায়া মন্ত্রিসভার মূল উদ্দেশ্য হবে সরকারের কার্যক্রমের জবাবদিহি নিশ্চিত করা, ভুলত্রুটি চিহ্নিত করা এবং জনগণের সামনে বিকল্প নীতি উপস্থাপন করা।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি কথিত ছায়া মন্ত্রিসভার তালিকা ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে শীর্ষ নেতাদের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং জামায়াতের প্রক্রিয়াধীন পরিকল্পনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদীয় গণতন্ত্রে ছায়া মন্ত্রিসভা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, যা যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে প্রচলিত। এর মাধ্যমে বিরোধী দল সরকারকে নিয়মিতভাবে জবাবদিহির মধ্যে রাখে এবং বিকল্প নীতির প্রস্তুতি রাখে।
সূত্র জানায়, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট সংসদে শক্তিশালী বিরোধী ভূমিকা রাখার কৌশল হিসেবে এই কাঠামোকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মাধ্যমে নীতিগত সমালোচনা, আইন পর্যালোচনা এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানো সম্ভব হবে।
দলটির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই ছায়া মন্ত্রিসভা নিয়মিতভাবে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজ মূল্যায়ন করবে এবং গণমাধ্যম ও সংসদে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরবে।
এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে গণতান্ত্রিক চর্চার ইতিবাচক ধাপ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে এটিকে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল বলেও মন্তব্য করছেন।








