সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “যে কারণেই অপরাধ ঘটুক না কেন, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
তিনি আরও জানান, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।
এসপি নাজির আহমেদ বলেন, রাউজানের সর্বশেষ দুটি হত্যাকাণ্ডে প্রধান সন্দেহভাজনসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, পাহাড়ি ও সন্ত্রাসপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নিয়মিত অভিযান চলছে। “জঙ্গল সলিমপুরসহ কিছু এলাকা আগে সন্ত্রাসের ঘাঁটি ছিল, এখন তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে,” বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জোর দিয়ে বলেন, অপরাধীর পরিচয় নয়, অপরাধই মুখ্য। তদন্তের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।






