এতে কোনো অস্বাভাবিক গর্ত, দাগ বা বাঁক থাকে না। নখ মূলত শক্ত প্রোটিন কেরাটিন দিয়ে তৈরি হয়।বয়স বাড়ার সাথে সাথে নখে হালকা রেখা দেখা দিতে পারে, যা স্বাভাবিক। আবার কোনো চোট লাগলে সাদা দাগ দেখা দিতে পারে, যা নখ বড় হওয়ার সাথে সাথে নিজে থেকেই মিলিয়ে যায়।
নখের হঠাৎ পরিবর্তন শরীরের কোনো বড় সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে সতর্ক হোন:
হঠাৎ পুরো নখ বা নখের নিচে কালো, হলুদ বা অন্য কোনো রঙের দাগ দেখা দেওয়া।নখ অস্বাভাবিকভাবে বাঁকা হয়ে যাওয়া, চামড়া থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া বা নখ না বাড়া।
নখের উপরিভাগে ছোট ছোট গর্ত বা আড়াআড়ি খাঁজ তৈরি হওয়া।নখের চারপাশে ব্যথা, লালচে ভাব, ফোলা বা রক্তপাত হওয়া।
নখকে সুস্থ ও মজবুত রাখতে খুব সাধারণ কিছু অভ্যাস গড়ে তুলুন:
নখ সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন। পানি বা রাসায়নিক ব্যবহারের সময় প্রয়োজনে গ্লাভস ব্যবহার করুন। নখ সোজা করে কাটুন এবং ধারের কিনারাগুলো মসৃণ রাখুন।
হাত বা শরীরের লোশন ব্যবহারের সময় নখ ও এর চারপাশের কিউটিকলেও মালিশ করুন।নখ কামড়ানো, দাঁত দিয়ে কিউটিকল ছেঁড়া বা বারবার নেইল পলিশ রিমুভার ব্যবহারের অভ্যাস ত্যাগ করুন।
ম্যানিকিউর বা সাজগোজের জন্য সেলুনে গেলেও কিছু সুরক্ষা বজায় রাখা জরুরি:
লাইসেন্সধারী ও পরিচ্ছন্ন সেলন বেছে নিন। যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত (Sterilized) কি না নিশ্চিত করুন। কিউটিকল কখনোই পুরোপুরি কেটে ফেলতে দেবেন না, কারণ এটি নখকে সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়।








