-
পুরুষদের ক্ষেত্রে: নিয়মিত রান্নার ফলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ২৩% পর্যন্ত কমে যায়।
-
নারীদের ক্ষেত্রে: এই ঝুঁকি কমার হার আরও বেশি, প্রায় ২৭%।
-
বিস্ময়কর তথ্য: মজার ব্যাপার হলো, যাদের রান্নার দক্ষতা তুলনামূলক কম ছিল, তাঁরা এই নতুন অভ্যাস শুরু করে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন।
কেন রান্না মস্তিষ্কের জন্য উপকারী?
বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্না সরাসরি রোগ না ঠেকালেও এটি মস্তিষ্কের জন্য একটি চমৎকার ব্যায়াম হিসেবে কাজ করে। এর কারণগুলো হলো:
রান্না করার সময় পরিকল্পনা করা, মনোযোগ দেওয়া এবং উপকরণের মাপ মনে রাখার প্রয়োজন হয়, যা মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ রাখে।
সবজি কাটা বা রান্নার সরঞ্জাম নাড়াচাড়ার ফলে শরীরে এক ধরনের হালকা ব্যায়াম হয়, যা হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
বাড়িতে রান্না করলে বাইরের প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে বেশি শাকসবজি ও টাটকা উপাদান খাওয়া হয়। নিজের হাতে তৈরি খাবারের তৃপ্তি এবং পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে খাওয়ার আনন্দ মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, এই অভ্যাস শুরু করতে অভিজ্ঞ রাঁধুনি হওয়ার প্রয়োজন নেই:
কঠিন কোনো পদের বদলে সহজ কোনো সালাদ, ভর্তা বা সবজি রান্না দিয়ে শুরু করা যায়। সপ্তাহে মাত্র এক বা দুই দিন রান্না করলেও তা দীর্ঘ মেয়াদে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।








