ম্যাচ শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তামিম ইকবাল এই নামকরণের পেছনের আবেগ ও যুক্তি ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি লিখেছেন:
“বল বয় শব্দটা ব্যক্তিগতভাবে কখনোই খুব একটা ভালো লাগত না আমার। ওরাই আমাদের ভবিষ্যৎ, তাই আমি ওদের বলতে চাই ফিউচার স্টার্স।”
তামিমের মতে, এই শিশুরা কেবল বল কুড়িয়ে দেওয়ার জন্য নয়, বরং আগামীর তারকা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে আসে। তাই তাদের পরিচয়টাও হওয়া উচিত যুতসই।
এই ক্ষুদে ক্রিকেটারদের তালিকায় শুধু ছেলেরাই নয়, রয়েছে মেয়েরাও। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা মাঠের একদম কাছ থেকে বড় তারকাদের খেলা দেখার ও তাদের সান্নিধ্য পাওয়ার সুযোগ পাবে। তামিম নিজেও তাঁর ক্যারিয়ারের শুরুতে এই ভূমিকায় ছিলেন। সেই স্মৃতি মনে করে তিনি লিখেছেন:
“আশা করি, এই খুদে ক্রিকেটাররা ওদের প্রিয় ক্রিকেটারদের কাছ থেকে দেখে অনুপ্রাণিত হবে, ওদের স্বপ্নের সীমানা বড় হবে এবং একদিন বাংলাদেশের হয়ে খেলবে। আমিও একসময় ওদের মতোই ছিলাম— আমিও ছিলাম একজন বল বয়।”
তামিম তাঁর পোস্টে একটি পরিচয়পত্রের ছবিও যুক্ত করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, অফিশিয়াল অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডে ভূমিকার জায়গায় ‘বল বয়’-এর পরিবর্তে বড় করে লেখা রয়েছে ‘ফিউচার স্টার্স’ (Future Stars)। এই ছোট পরিবর্তনটি ক্ষুদে ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস ও মর্যাদাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।








