অংশগ্রহণকারীদের একদলকে প্রতিদিন ৪,০০০ আইইউ (IU) ভিটামিন ডি দেওয়া হয় এবং অন্য দলকে দেওয়া হয় প্লাসেবো।এই পরীক্ষাটি প্রায় আড়াই বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
ফাস্টিং গ্লুকোজ, ২ ঘণ্টার গ্লুকোজ টেস্ট এবং এইচবিএওয়ানসি (HbA1c) পরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি যাচাই করা হয়।
গবেষণার সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো—ভিটামিন ডি সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে কাজ না করলেও নির্দিষ্ট জিন ভ্যারিয়েন্ট থাকা ব্যক্তিদের ওপর এটি দারুণ কার্যকর:
যাদের শরীরে ভিটামিন ডি রিসেপ্টর (VDR) জিনের নির্দিষ্ট ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি প্রায় ১৯% কমেছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের প্রায় ৭০% মানুষের মধ্যেই এই বিশেষ জিন ভ্যারিয়েন্ট বিদ্যমান।প্রধান গবেষক আনাস্তাসিওস পিটাস মনে করেন, এটি ভবিষ্যতে ‘পার্সোনালাইজড মেডিসিন’ বা ব্যক্তিভিত্তিক চিকিৎসার পথ খুলে দেবে।
ভিটামিন ডি কেবল হাড়ের জন্যই নয়, শর্করা নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে:
এটি শরীরের কোষকে ইনসুলিনের প্রতি কার্যকরভাবে সাড়া দিতে সাহায্য করে।অগ্ন্যাশয়ের কোষে থাকা ভিডিআর প্রোটিন ভিটামিন ডির সাথে যুক্ত হয়ে ইনসুলিন উৎপাদন ও নিঃসরণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
গবেষণায় উচ্চমাত্রা (৪,০০০ আইইউ) ব্যবহার করা হলেও বিশেষজ্ঞরা সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছেন:
সাধারণ গাইডলাইন অনুযায়ী প্রতিদিন ৬০০-৮০০ আইইউ ভিটামিন ডি যথেষ্ট। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে উচ্চমাত্রার সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা বিপজ্জনক হতে পারে।
গবেষক ডসন হিউজেস জানান, ভবিষ্যতে একটি সহজ জেনেটিক টেস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে যে কার জন্য এই সাপ্লিমেন্ট সবচেয়ে বেশি উপকারী।








