চলতি বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্প তার দুই ছেলে এরিক ও ডোনাল্ড জুনিয়র এবং ট্রাম্প অর্গানাইজেশনকে সঙ্গে নিয়ে এই মামলা করেন। তার অভিযোগ, আইআরএস তার ব্যক্তিগত কর-সংক্রান্ত গোপন তথ্য সুরক্ষিত রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, যা ফাঁস হয়ে তার ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণ হয়েছে।
মামলায় দাবি করা হয়েছে, এই তথ্য ফাঁসের ফলে তিনি বড় আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন এবং সে কারণেই ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, আইআরএস-এর সাবেক কর্মচারী চার্লস ‘চাজ’ লিটলজন ২০১৯ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে কর-সংক্রান্ত নথি গণমাধ্যমে ফাঁস করেন। পরে তিনি দোষ স্বীকার করে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পান।
এদিকে অতীতের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ট্রাম্প দীর্ঘ সময় কর-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ না করলেও ২০১৬ ও ২০১৭ সালে তিনি মাত্র ৭৫০ ডলার ফেডারেল আয়কর দিয়েছেন এবং এক দশকেরও বেশি সময় কর না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
মামলাটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।








