তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বৃষ্টির মরদেহ সম্পূর্ণভাবে শনাক্ত বা উদ্ধার করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে পরিবার ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণ বাকি রয়েছে।
জাহিদ হাসান প্রান্ত বিবিসি বাংলাকে দেওয়া বক্তব্যে জানান, পুলিশ তাকে ফোন করে মৃত্যুর খবর জানায়। তিনি আরও বলেন, বাসার ভেতরে রক্তের মধ্যে পাওয়া একটি দেহাংশের সঙ্গে ডিএনএ মিল পাওয়া গেছে। তবে পুরো মরদেহ উদ্ধার হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকায় তল্লাশি ও ডুবুরি অভিযান চলছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে খুঁজতে পানিতে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।
এর আগে একই ঘটনায় নিখোঁজ আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে হিশাম আবুঘারবিয়েহ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনায় পারিবারিক সহিংসতা, অবৈধ আটক, প্রমাণ নষ্ট করা এবং মৃতদেহ গোপন করার মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর উদ্বেগ ও শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তদন্তকারীরা এখনো পুরো ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে কাজ করছেন।








