মাহফুজ আলম তাঁর পোস্টে গত কয়েক সপ্তাহের রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন: তিনি লেখেন, “দুই সপ্তাহ ধরে চলতে থাকা সংস্কার ও বিচারের আলাপ কোথায় হারিয়ে গেল?”
বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কার বা ইনসাফ কায়েমের আলোচনার চেয়েও গুরুত্ব পাচ্ছে ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতি। সংসদের ভেতরের এবং বাইরের কার্যক্রমকে তিনি এই ‘বাটোয়ারার রাজনীতি’র অংশ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
জনগণের মৌলিক সমস্যাগুলো রাজনৈতিক আলোচনার বাইরে চলে যাচ্ছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন:
জ্বালানি সংকটের কারণে কৃষকের দুর্গতি এবং নিরবচ্ছিন্ন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়ার বিষয়টি তিনি তুলে ধরেন।
হামের প্রকোপে শিশু মৃত্যু, অর্থনীতির বেহাল দশা এবং নাগরিক নিরাপত্তাহীনতার মতো গুরুতর বিষয়গুলো এখন আর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নেই।
রাজনৈতিক দলগুলোর পাল্টাপাল্টি সংঘাত এবং সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তিনি তীক্ষ্ণ প্রশ্ন ছুড়ে দেন:
সংঘাতের রাজনীতিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “দুপুরে এক পক্ষ মারবেন আর রাতে আরেক পক্ষ মারবেন, এভাবেই কি জনগণকে ধোঁকা দেওয়া হবে?”
স্থানীয় সরকারের অফিসগুলো এমপিদের হাতে ছেড়ে দেওয়া এবং তাঁদের জন্য নতুন গাড়ি ও বিলাসিতার কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। মাহফুজ আলমের মতে, এগুলো জনগণের সাথে এক ধরনের প্রতারণা।








