অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো ওই সম্মতিপত্রে নিয়োগের যৌক্তিকতা হিসেবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ উল্লেখ করা হয়েছে:
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর মূল্যবান চিকিৎসা যন্ত্রপাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। হাসপাতালে রোগীদের অ্যাটেনডেন্টসহ বহিরাগত ও অযাচিত লোকজনের অবাধ প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা।
প্রতিটি উপজেলায় ১০ জন করে আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে, যারা তিন শিফটে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
এই বিশাল সংখ্যক আনসার সদস্য নিয়োগের ফলে বাৎসরিক একটি বড় অংকের বাজেটের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেবে:
আনসার সদস্যদের বেতন, উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, রেশন, যাতায়াত, চিকিৎসা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা।
এই প্রকল্পে বাৎসরিক সম্ভাব্য মোট ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) কোটি টাকা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এই নিয়োগের বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত সম্মতি প্রদান করেছে। এখন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মাঠ পর্যায়ে আনসার সদস্যদের পদায়ন শুরু হবে। এই উদ্যোগের ফলে উপজেলা পর্যায়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তি আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।




