এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না স্বাগতিকদের। মাত্র ৩২ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তবে সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং অভিজ্ঞ লিটন কুমার দাস।
চতুর্থ উইকেটে এই দুই ব্যাটার ১৭৮ বলে ১৬০ রানের এক মহাকাব্যিক জুটি গড়েন।ক্যারিয়ারের ১০১তম ওয়ানডেতে ১৩তম ফিফটি তুলে নেন লিটন। সাজঘরে ফেরার আগে ৯১ বলে ৭৬ রানের (৩টি চার ও ১টি ছক্কা) কার্যকরী ইনিংস খেলেন তিনি।
নাজমুল হোসেন শান্ত তাঁর ক্যারিয়ারের ৬৪তম ওয়ানডেতে দেখা পান চতুর্থ সেঞ্চুরির। ১১৯ বলে ৯টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো তাঁর ১০১ রানের ইনিংসটি বাংলাদেশকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেয়।
শান্ত ও লিটন আউট হওয়ার পর বাংলাদেশের ইনিংসের গতি কিছুটা থমকে যায়। লেজের সারির ব্যাটাররা দ্রুত আউট হওয়ার মিছিলে যোগ দিলে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বোলাররা শেষ ১০ ওভারে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে টাইগারদের বড় স্কোরের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান।








