হামিম জানান, নির্বাচনের আগে রটানো হয়েছিল বিএনপি ক্ষমতায় এলে ছাত্রদল ক্যাম্পাস উত্তপ্ত করবে। অথচ সরকার গঠনের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও ছাত্রদল ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করছে।
সেখানে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ তোলেন তিনি। দেয়ালে ‘ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ চাই’ লেখাটি কেটে ছাত্ররা ‘গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ চাই’ লেখায় সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামিম বলেন, “আমরা চাইলে অস্ত্রের উত্তর অস্ত্র দিয়ে দিতে পারতাম, কিন্তু গণতন্ত্রের স্বার্থে ছাত্রদল নমনীয়তা দেখাচ্ছে।”
হামিমের অভিযোগ, ছাত্রশিবির নানাভাবে ফ্যাসিবাদকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। তিনি বলেন:
গত ১৭ বছর ছাত্রশিবির পরোক্ষভাবে ছাত্রলীগকে সমর্থন জুগিয়ে ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করেছে। এখন তারা আবারও সেই পুরনো অভ্যাসে ফিরে গিয়ে একটি ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করতে চাচ্ছে যাতে ‘গুপ্ত রাজনীতি’র চর্চা সহজ হয়।
৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে সব সংগঠন ভিন্ন ভিন্ন আদর্শ নিয়ে সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখবে—এটাই হওয়ার কথা। কিন্তু শিবির বারবার উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেই সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট করছে।
৫ই আগস্ট পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে ছাত্রদলের রাজনীতি এখন দুটি প্রধান লক্ষ্যের ওপর দাঁড়িয়ে বলে জানান হামিম: ১. পলিসি বেজড পলিটিক্স: তারুণ্যদীপ্ত পলিসি তৈরি করা যা বেকারত্ব দূর করতে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে রাষ্ট্রকে সহায়তা করবে। ২. স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার: শিক্ষার্থীদের আবাসন, শিক্ষা ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলায় সক্রিয় থাকা। ৩. দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন: শিক্ষার্থীদের মাঝে সততা ও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে একটি ব্যাপকভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা।








