ইতালি চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। প্লে-অফে বাদ পড়লেও ফুটবলের বৃহত্তর স্বার্থে ইতালির মতো বড় দলের বিশ্বকাপে থাকা প্রয়োজন।
ইরানকে নিয়ে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে তাদের অংশগ্রহণ স্থগিত করে ইতালিকে সেই শূন্যস্থানে অন্তর্ভুক্ত করা।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রস্তাবটি কেবল ক্রীড়াঙ্গনের বিষয় নয়, বরং এর পেছনে গভীর কূটনৈতিক সমীকরণ রয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি এবং ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর:
সম্প্রতি ইরান যুদ্ধ নিয়ে পোপের সমালোচনার বিপরীতে ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহারের ফলে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের দাবি, মেলোনির সঙ্গে নষ্ট হওয়া সম্পর্ক পুনরায় ঝালাই করতেই ট্রাম্প প্রশাসন ইতালিকে বিশ্বকাপে ফেরানোর এই ‘উপহার’ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
এখন পর্যন্ত ফিফা এই প্রস্তাবের বিপরীতে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সাধারণত ফুটবলের বিশ্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। অন্যদিকে, ইরান সরকার এর আগে ঘোষণা করেছিল যে তারা বিশ্বকাপে অংশ নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজনীতির সংমিশ্রণ তারা মেনে নেবে না।








