ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে চুল্লিতে ইউরেনিয়াম স্থাপন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এই জটিল প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগতে পারে।
জ্বালানি স্থাপনের পর নিরাপত্তা পরীক্ষা ও ‘পাইলট অপারেশন’ চালানো হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পূর্ণ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে ৬ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে আশার কথা হলো:
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রশিদ খান নিশ্চিত করেছেন যে, প্রথম ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় সঞ্চালন লাইনের কাজ গত মে মাসেই শেষ হয়েছে।
রূপপুর-বাঘাবাড়ি, রূপপুর-বগুড়া এবং রূপপুর-গোপালগঞ্জ লাইনের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে পৌঁছানো হবে। দ্বিতীয় ইউনিটের কাজও ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
২০১৭ সালে রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় শুরু হওয়া এই প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। এটি ‘নিউক্লিয়ার ফিশন’ প্রক্রিয়ায় কাজ করবে, যা ইউরেনিয়ামের বিভাজন থেকে প্রাপ্ত তাপশক্তি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।





