প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার কিছু উন্নতি হলেও এখনো গ্রামাঞ্চলে তা পুরোপুরি পৌঁছায়নি। তাই মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে এবং রোগ হওয়ার আগেই সচেতনতা বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, নিয়োগ পাওয়া স্বাস্থ্যকর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করবে। বিশেষ করে নারীদের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। খাদ্যাভ্যাস, হৃদরোগ, কিডনি রোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে তারা মানুষকে সচেতন করবে।
তারেক রহমান আরও বলেন, জনগণকে সুস্থ রাখতে পারলে চিকিৎসা খাতের চাপ কমবে এবং হাসপাতালগুলো আরও কার্যকরভাবে সেবা দিতে পারবে।
তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। প্রয়োজনে বেসরকারি খাতে পরিচালনার মাধ্যমে এগুলো সচল করা হবে। এতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। পাশাপাশি ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা দেন এবং পরে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ পৌঁছান। সেখানে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা তাকে স্বাগত জানান।








