মাত্র এক মৌসুমেই চেলসির আক্রমণভাগের প্রাণভ্রোমরায় পরিণত হয়েছেন পালমার:
চলতি মৌসুমে চেলসির জার্সিতে ২৮ ম্যাচে ১০টি গোল এবং ৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি।তাঁর বল কন্ট্রোল, নিখুঁত টেকনিক এবং আক্রমণভাগে সৃজনশীলতা তাঁকে ইউরোপের অন্যতম সেরা তরুণ প্রতিভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
চেলসির অগোছালো স্কোয়াডে তিনি একক নৈপুণ্যে অনেক ম্যাচ জিতিয়েছেন, যা বড় ক্লাবগুলোর নজর কাড়তে বাধ্য করেছে।
দুই ক্লাবের লক্ষ্য ভিন্ন হলেও পালমারকে নিয়ে আগ্রহ অভিন্ন:
বর্তমান স্কোয়াডে তরুণ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সমন্বয় ঘটিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সাজাতে চায় লস ব্লাঙ্কোসরা। পালমারকে তাঁরা ভবিষ্যতের মাঝমাঠের কারিগর হিসেবে দেখছে।
আক্রমণভাগে কিলিয়ান এমবাপ্পের পরবর্তী যুগে সৃজনশীলতা ও গোল করার ক্ষমতা বাড়াতে পালমারকে আদর্শ সংযোজন মনে করছে ফরাসি ক্লাবটি।
চেলসি সহজে তাদের সেরা খেলোয়াড়কে ছাড়তে না চাইলেও কিছু বিষয় তাদের বড় সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দিচ্ছে:
আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার সুযোগ না পাওয়ায় আর্থিকভাবে চাপের মুখে রয়েছে লন্ডনের এই ক্লাবটি।
উয়েফার আর্থিক নিয়মকানুন বজায় রাখতে বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে পালমারকে বড় মূল্যে বিক্রি করে সেই ঘাটতি পূরণ ও স্কোয়াড পুনর্গঠনের পথে হাঁটতে পারে চেলসি।








