Search
Close this search box.

সৌদির অঢেল টাকা ছেড়ে কেন ইউনাইটেডে থেকে গেলেন ব্রুনো? জানালেন সেই কারণ

অহনা

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বর্তমান সময়টা বেশ ইতিবাচক। দুই মৌসুমের বিরতি কাটিয়ে ইউরোপের শীর্ষ আসর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফিরছে রেড ডেভিলরা। তবে ক্লাবের এই সাফল্যের পেছনের কারিগর হিসেবে যার নাম সবার আগে আসে, তিনি হলেন অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেস। দলের চরম দুঃসময়েও লোভনীয় সব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে তিনি যেভাবে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে থেকে গেছেন, তা নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন এই পর্তুগিজ তারকা।

সাবেক ইউনাইটেড কিংবদন্তি ওয়েইন রুনির একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে ব্রুনো জানান, কেন তিনি সৌদি আরবের বিশাল অর্থের হাতছানি উপেক্ষা করেছিলেন।

ব্রুনো জানান, সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও তাঁর স্ত্রী ও তাঁর বাস্তবসম্মত চিন্তা তাঁকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছে।

সৌদি আরবের ক্লাবগুলো থেকে প্রচুর অর্থের প্রস্তাব ছিল। কিন্তু ব্রুনো বলেন, “আমরা জানি আমরা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হতে চাই না। আমরা শুধু আমাদের স্বপ্নগুলো পূরণ করতে চাই।”

ব্রুনোর সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর স্ত্রীর বড় ভূমিকা ছিল। তাঁর স্ত্রী তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন—তিনি যা যা চেয়েছিলেন, তার সবকিছু কি অর্জন করতে পেরেছেন? এই একটি ছোট প্রশ্নই ব্রুনোকে ইউনাইটেডে থেকে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।

ব্রুনো মনে করেন, ক্লাবের দুঃসময়ে তাঁকে ছেড়ে যাওয়া ঠিক হতো না। বরং ক্লাবকে ফিরিয়ে দেওয়ার মতো তাঁর এখনও অনেক কিছু বাকি আছে।

মজার ব্যাপার হলো, ওয়েইন রুনির সাথে ব্রুনোর এক জায়গায় দারুণ মিল রয়েছে। ২০১০ সালে রুনিও ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জন তুলেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত শীর্ষ সব ক্লাবের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে ইউনাইটেডে থেকে গিয়েছিলেন। ব্রুনোও ঠিক একইভাবে ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে দুঃসময়ের সঙ্গী হিসেবে রেড ডেভিলদের প্রতি বিশ্বস্ত থাকলেন।

২০২০ সালে ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার পর থেকে ব্রুনোর পারফরম্যান্স ছিল এক কথায় অনবদ্য:

  • ম্যাচ ও গোল: ৩২২ ম্যাচে ১০৬টি গোল করেছেন।

  • অর্জন: এখন পর্যন্ত জিতেছেন একটি এফএ কাপ এবং একটি লিগ কাপ।

  • পরিবর্তন: গত মৌসুমে লিগে ১৫তম স্থানে থাকা দলটিকে এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে ফিরিয়ে আনতে তাঁর নেতৃত্ব ও লড়াকু মানসিকতা মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ