এর আগে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি হজযাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। হজযাত্রীদের সার্বিক সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া প্রস্তুতির বিষয়েও তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের আগেই হজ ব্যবস্থাপনার অনেক কাজ সম্পন্ন হয়েছিল। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পরও সরকার এই খাতকে আরও সুশৃঙ্খল ও ব্যয়সাশ্রয়ী করতে কাজ করে গেছে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে হজের খরচ কমপক্ষে ১২ হাজার টাকা কমানো সম্ভব হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটি আরও কমানোর লক্ষ্যে কাজ চলছে।
তিনি হজযাত্রীদের উদ্দেশে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্যও দোয়া কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বিমানবন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে হজযাত্রীদের নিয়ে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জ হয়ে নিজ বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।






