প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, ইতালিতে যে সংস্করণটি মুক্তি পাচ্ছে তা মূলত ‘প্রিন্স’-এর আপডেট ভার্সন। দেশে মুক্তির সময় সিনেমাটির সাউন্ড, কালার গ্রেডিং এবং ভিএফএক্স নিয়ে দর্শকদের কিছু অভিযোগ ছিল। সেই প্রতিক্রিয়াকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো সিনেমার ডিজিটাল ফাইল নতুনভাবে সংস্করণ করা হয়েছে।
নতুন সংস্করণে প্রযুক্তিগত ত্রুটি দূর করে আরও উন্নত মানে সিনেমাটি উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা। বিশেষ করে শব্দের স্বচ্ছতা, দৃশ্যের রঙের সামঞ্জস্য এবং ভিজ্যুয়াল ইফেক্টে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন আনা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক দর্শকদের জন্য একটি পরিপূর্ণ সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অ্যাকশনধর্মী এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আবু হায়াত মাহমুদ। নব্বই দশকের ঢাকার অপরাধজগতকে কেন্দ্র করে নির্মিত গল্পে শাকিব খানকে দেখা গেছে এক প্রভাবশালী গ্যাংস্টারের ভূমিকায়। তার শক্তিশালী উপস্থিতি, অ্যাকশন দৃশ্য এবং নাটকীয় উপস্থাপন ইতোমধ্যেই দর্শকদের দৃষ্টি কেড়েছে।
সিনেমাটিতে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ। এছাড়া রয়েছেন কলকাতার অভিনেত্রী জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু এবং ভারতীয় অভিনেতা দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য। সহ-অভিনেতা হিসেবে আরও দেখা গেছে রাশেদ মামুন অপু ও ইন্তেখাব দিনার-সহ একাধিক শিল্পীকে।
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ইতালিতে ‘প্রিন্স’-এর এই প্রদর্শনী শুধু একটি সিনেমার বিদেশে মুক্তিই নয়, বরং বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কারণ এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের সিনেমার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং নতুন দর্শকগোষ্ঠী তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
এদিকে, এবারের ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত অন্যান্য সিনেমাগুলোর মতো ‘প্রিন্স’-এরও আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু হওয়ায় প্রযোজক ও নির্মাতারা আশাবাদী যে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বাংলাদেশি সিনেমা বিশ্ববাজারে জায়গা করে নিতে পারবে।








