সেমিনারে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। তারা প্রতিরোধ, প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং কার্যকর প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী, আইইডিসিআর ও ন্যাশনাল ইনফ্লুয়েঞ্জা সেন্টারের অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন এবং বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ তাওফিক।
অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী জানান, ১৯৯০ সালের পর জন্ম নেওয়া ব্যক্তিরা টিকাদানের কারণে তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত। ১২ মাসের কম বয়সী শিশু, অপুষ্টিতে ভোগা শিশু, টিকা না নেওয়া ব্যক্তি এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাদের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। হাম ভাইরাস কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে ছড়ায় এবং গণপরিবহন, শ্রেণিকক্ষ ও মিলনায়তনের মতো বদ্ধ স্থানে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি।
অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন বলেন, কোনো এলাকায় এক মাসে তিন বা তার বেশি হাম আক্রান্তের ঘটনা হলে সেটি সন্দেহভাজন প্রাদুর্ভাব ধরা হয়, এবং একই সময়ে দুইজন নিশ্চিত রোগী পাওয়া গেলে সেটি নিশ্চিত প্রাদুর্ভাব হিসেবে বিবেচিত হয়।
অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ তাওফিক শিশুদের হাম সংক্রমণের উপসর্গ ও র্যাশের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর নির্ভর করা উচিত নয় এবং সন্দেহজনক উপসর্গ দেখা দিলে নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।
সেমিনারে আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের ডিন ড. কামরান উল বাসেত এবং স্কুল অব এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেসের ডিন ড. কে আয়াজ রব্বানী।





