তিনি আরও বলেন, “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংবিধান স্বীকৃত নাগরিক অধিকার। সরকারবিরোধী মত প্রকাশ করলেই কাউকে গ্রেপ্তার করা স্বাধীন রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থি এবং আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত।”
জামায়াতের এই নেতা বলেন, বর্তমান সরকার ক্রমাগতভাবে বিরোধী মত ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কণ্ঠরোধ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবহার করছে। সাওদা সুমির গ্রেপ্তার সরকারের দমনমূলক ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, “একটি স্বাধীন দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মত প্রকাশকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের গ্রেপ্তার দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও অস্থির করে তুলবে এবং জনগণের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করবে।”
এছাড়া তিনি দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন, আইনজীবী সমাজ, সাংবাদিক সমাজ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাসমূহের প্রতি আহ্বান জানান, বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
গোলাম পরওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নারী অধিকার নিয়ে তথাকথিত প্রগতিশীল নারী সংগঠন অহর্নিশ মুখে ফেনা তোলেন; তারা এখন কেন নিরব?”
তিনি বলেন, “দেশের নাগরিকদের ওপর জুলুম-নির্যাতন ও দমনপীড়ন চালিয়ে কোনো সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। জনগণের অধিকার হরণ করে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালানোর দায় সরকারকেই নিতে হবে। আমি অবিলম্বে সাওদা সুমির নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।”








