পুলিশ হেফাজতে নেওয়া চারজন হলেন:
-
মাহামুদুল হাসান তমাল: মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ (২০১৭-১৮ সেশন)।
-
আকরাম খান ইমন: মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
-
মইদুর রহমান বাকী: সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।
-
রকিব হাসান রনি: বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় ব্যাচের ছাত্র ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান জানান, ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতারা ছায়া নিকেতন ভবনে একত্রিত হয়ে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে গোপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।
-
মাদক সংশ্লিষ্টতা: মিজানুর দাবি করেন, উক্ত বাসায় মাদকের কারবার চলে এবং মইদুর রহমান বাকী ছাত্রলীগের রাজনীতির পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। খবর পেয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের অবরুদ্ধ করে পুলিশে খবর দেয়।
আটককৃতরা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন:
-
মাহমুদুল হাসান তমাল: তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের কর্মীরা ওই বাসায় মূলত চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। তিনি বাধা দেওয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে।
-
মইদুর রহমান বাকী: তিনি জানান, শেখ হাসিনার পতনের এক বছর আগেই তিনি রাজনীতি ছেড়েছেন এবং ছাত্রলীগে তার কোনো পদ ছিল না। বন্ধুদের বাসায় ক্যাম্পাসের বিষয়ে আলোচনার মানেই ষড়যন্ত্র নয় বলে তিনি দাবি করেন।
বরিশাল মহানগর কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জীব কুমার নাথ জানান, চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








