সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি তাঁর এই সিদ্ধান্তের পেছনে নৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যাখ্যা তুলে ধরেন:
তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দল ও সরকারকে আলাদা রাখার সার্থেই আমি দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ছেড়েছি।” সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকে দলীয় প্রধানের পদে থাকা ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
বহুল আলোচিত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন ইস্যুতে তিনি জানান, এটি নিয়ে বর্তমানে বিতর্ক ও আলোচনা চলমান। তবে চূড়ান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামতই প্রাধান্য পাবে।
২০০২ সালের ২৯ আগস্ট যাত্রা শুরু করা গণসংহতি আন্দোলন দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পায়।
জোনায়েদ সাকি চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের শরিক হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারে তিনি প্রথমে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। বর্তমানে তিনি শুধু পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পদত্যাগ ও নতুন দায়িত্ব হস্তান্তরের এই মুহূর্তে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন:
-
নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল।
-
রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মনির উদ্দীন পাপ্পু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার এবং হাসান মারুফ রুমী।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর সাভারে অনুষ্ঠিত দলের ৫ম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হয়েছিলেন। ৫৫ সদস্যের সেই নির্বাহী কমিটির অধীনেই এখন থেকে দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।








