সরকারি সূত্র অনুযায়ী, এই বিশেষ প্রচারণার মাধ্যমে দেশের বিশাল সংখ্যক শিশুকে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে:
-
বয়সসীমা: ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সি সকল শিশু।
-
লক্ষ্যমাত্রা: মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ২৬৭ জন শিশুকে এই জরুরি কর্মসূচির আওতায় টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
হামের ঝুঁকি বিবেচনায় প্রাথমিকভাবে নিচের এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে:
-
বরিশাল বিভাগ: বরগুনা সদর, মেহেন্দীগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ ও নলছিটি (ঝালকাঠি)।
-
ঢাকা বিভাগ: নবাবগঞ্জ (ঢাকা), গাজীপুর সদর, মাদারীপুর সদর, জাজিরা (শরীয়তপুর) এবং মুন্সিগঞ্জের ৩টি উপজেলা (লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর)।
-
রাজশাহী বিভাগ: নাটোর সদর, পোরশা (নওগাঁ), গোদাগাড়ী (রাজশাহী), শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) এবং পাবনার ৪টি উপজেলা (ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া)।
-
অন্যান্য এলাকা: ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর (ময়মনসিংহ); আটপাড়া (নেত্রকোনা); হাইমচর ও সদর (চাঁদপুর); মহেশখালী ও রামু (কক্সবাজার) এবং যশোর সদর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, শিশুদের টিকা কেন্দ্রে নিয়ে আসার সময় টিকাদান কার্ড (যদি থাকে) সঙ্গে আনতে হবে। কোনো শিশু যদি আগে নিয়মিত টিকা পেয়েও থাকে, বর্তমান প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে এই বিশেষ ডোজটি নেওয়া জরুরি।
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ যা শিশুদের জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে। তাই নির্ধারিত বয়সের কোনো শিশু যেন এই জীবন রক্ষাকারী টিকা থেকে বাদ না পড়ে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।








