এছাড়া ব্যাংকগুলোর হাতে থাকা মোট বৈদেশিক মুদ্রার নিট পরিমাণ বা নেট ফরেক্স হোল্ডিং বেড়ে ৩ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ফেব্রুয়ারিতে তা ছিল ২ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। এই উন্নতি দেখাচ্ছে, ব্যাংক খাত এখন তারল্য ও বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণে সক্ষম।
অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির জানান, সরকারের বিভিন্ন সাশ্রয়ী ব্যবস্থা ব্যাংক খাতের কার্যক্রমকে সহায়তা করছে, যা বাস্তবায়িত হলে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় চাপ হ্রাস পাবে। তবে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সতর্কতা বজায় রাখা জরুরি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাময়িক চাপ থাকলেও ব্যাংক খাতের সক্ষমতা ইতিমধ্যেই বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী কয়েক মাসে যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে না, তবে ব্যয় সাশ্রয় ও জরুরি পণ্যের আমদানিতে প্রাধান্য দেওয়াটা প্রয়োজন।
এদিকে, রিজার্ভ বাড়লেও সরকারের তৎকালীন নীতিতে ট্রেজারি বিলের বিপরীতে বৃহস্পতিবার একদিনে ব্যাংক খাত থেকে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করেছে।








