বাসিত আলির দাবি অনুযায়ী, নাসিমের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছিল শৃঙ্খলা কমিটি:
কমিটি নাসিমকে কেন্দ্রীয় চুক্তি ও সোশ্যাল মিডিয়া নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছিল।
পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি এই সুপারিশ নাকচ করে দেন। বাসিত আলির মতে, চেয়ারম্যান বলেছেন— “কোনো খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ার নিয়ে খেলাধুলা করা উচিত নয়।”
শেষ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে নাসিমকে ২ কোটি পাকিস্তানি রুপি (প্রায় ৭২ হাজার মার্কিন ডলার) জরিমানা করা হয়, যা পাকিস্তান ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আর্থিক জরিমানা।
পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ১১তম আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নেওয়াজকে বিশেষ সম্মান দেওয়া নিয়ে নাসিমের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে একটি প্রশ্নাত্মক পোস্ট করা হয়।
পোস্টটি দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয় এবং নাসিম দাবি করেন তাঁর অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল।
পিসিবি এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি। ডিসিপ্লিনারি কমিটির শুনানিতে প্রমাণিত হয় যে এটি নাসিমের অ্যাকাউন্ট থেকেই করা হয়েছিল, যা কেন্দ্রীয় চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন।
খেলোয়াড়দের অপেশাদারিত্ব নিয়ে সরব হয়েছেন বাসিত আলি। তিনি মনে করেন: ১. চুক্তি পড়ার অনীহা: ক্রিকেটাররা নিজেরা চুক্তির শর্তাবলি না পড়ে সব দায়িত্ব ম্যানেজারের ওপর ছেড়ে দেন, যা তাঁদের বিপদে ফেলছে। ২. সতর্কতা: খেলোয়াড়দের নিজেদের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়ার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ করার পরামর্শ দেন তিনি।
নাসিম শাহর ক্যারিয়ারের জন্য এটি একটি বড় শিক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২ কোটি রুপি জরিমানা দিলেও ২ বছরের নিষেধাজ্ঞা থেকে বেঁচে যাওয়া তাঁর জন্য বড় স্বস্তির খবর। তবে পিসিবির এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতে অন্য ক্রিকেটারদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।








