সাবিলার শাশুড়ি নিজে সাবিলার অভিনয়ের নিয়মিত দর্শক। ঈদের সময় সম্প্রচারিত সাবিলার কোনো কাজই তিনি মিস করেন না:
তিনি বলেন, “ঈদের সময় সব চ্যানেলে ওর সাক্ষাৎকার, ছবি আর নাটক দেখি। কোনোটিই মিস করি না। এমনকি ওর নাটক চললে আমি ওকে ডেকে বলি— ‘সাবিলা আসো, তোমার নাটক দেখছি’।”
এবার বড় পর্দায় সাবিলার সিনেমা মুক্তি পাওয়ায় তিনি বেশ আনন্দিত। তিনি জানান, পুত্রবধূর সিনেমা হলের বড় পর্দায় দেখার অভিজ্ঞতা ছিল চমৎকার।
অভিনয়ের বাইরে সাবিলার ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করে তাঁর শাশুড়ি বলেন:
“যেকোনো পরিস্থিতির সঙ্গেই সে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। সেটা বাইরে শুটিং সেট হোক কিংবা আমার বাসা। সে সব জায়গায় মিলেমিশে চলতে পারে।”
বাস্তব জীবনেও সাবিলা খুব সুন্দরভাবে ‘ব্যালেন্স’ করে চলতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রান্নাবান্না বা সাংসারিক প্রথাগত নিয়ম নিয়ে সাবিলার শাশুড়ির দৃষ্টিভঙ্গি বেশ আধুনিক:
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “বউ রান্না করে খাওয়াবে—এটি আমি কখনো আশা করি না। আমি নিজেও একজন চাকরিজীবী, তাই এসব প্রথা পছন্দ করি না।”
শাশুড়িকে বিশেষ কিছু খাওয়াতে হবে—এমন বাধ্যবাধকতা সাবিলাকে কখনো দেননি তিনি। তাঁর মতে, সাবিলা তাঁর কাছে নিজের মেয়ের মতোই।
সাবিলার এই সফল ক্যারিয়ারের পেছনে যে শ্বশুরবাড়ির ব্যাপক সমর্থন রয়েছে, শাশুড়ির এই বক্তব্য তারই প্রমাণ। সাবিলা নূর বরাবরই তাঁর কাজের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেছেন, আর এবার ঘরোয়া সম্পর্কের এই সুন্দর দিকটি তাঁর ভক্তদের কাছে তাঁকে আরও প্রশংসিত করে তুলল।






