ফাহিম লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে উত্তাল সাগরে খাদ্য ও পানির অভাবে মারা যান। মৃত্যুর সময় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেষবারের মতো নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছিলেন। ফেসবুকে তিনি লিখেছিলেন, “বোকা-সোকা আম্মু টাই দিনশেষে আমার জন্য কাঁদে, মন খারাপ করে, মন ভরে দোয়া করে!” ভিডিওতে মানিব্যাগে রাখা মায়ের ছবিও দেখিয়েছিলেন।
ফাহিম লিবিয়া থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে ঝুঁকিপূর্ণ সাগরপথে যাত্রা করেন। নৌকাটি ছয় দিন ভেসে থাকার পর খাদ্য ও পানির অভাবে তার জীবন নিভে যায়। মৃত্যুর খবর পেয়ে মা হেলেনা বেগম ও বাবা ফয়েজ উদ্দিন শোকে ভেঙে পড়েছেন। মৃতদেহ এখনও পরিবারের কাছে পৌঁছায়নি।
দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ জানিয়েছেন, তরুণের এই মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ প্রবাস যাত্রা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।







