কর্মকর্তারা বলছেন, ইরান যদি প্রণালিটিতে নৌ চলাচলে বাধা অব্যাহত রাখে, তবে তা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করবে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সমর্থন নিয়ে একটি যৌথ সামরিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রণালিটি সচল রাখার চেষ্টা করছে আমিরাত।
এ লক্ষ্যে দেশটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ-এ একটি প্রস্তাব পাসের জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে, যাতে প্রণালি খুলতে বলপ্রয়োগের বৈধতা পাওয়া যায়। পাশাপাশি ইউরোপ ও এশিয়ার সামরিক শক্তিগুলোকেও নিয়ে একটি বিস্তৃত জোট গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
আমিরাতের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে এই সংকটকে দেখছে এবং প্রণালিতে চাপ সৃষ্টি করে বিশ্ব অর্থনীতিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে প্রস্তুত। তার মতে, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ ছাড়া বিকল্প নেই।
গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অস্বীকার না করলেও আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এখন একটি বৈশ্বিক অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ঐকমত্য তৈরি হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আমিরাত যদি সরাসরি সামরিক অভিযানে যুক্ত হয়, তবে এটি হবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য একটি বড় মোড়, যা সংঘাতকে আরও বিস্তৃত ও জটিল করে তুলতে পারে।








