রিটার্ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নির্বাচনি ব্যয়ের বিভিন্ন খাতের হিসাব নিম্নরূপ:
- প্রচার-প্রচারণায়: ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা
- পরিবহন বাবদ: ১ লাখ ১০ হাজার টাকা
- জনসভা আয়োজন: ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা
- নির্বাচনি ক্যাম্প পরিচালনায়: ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা
- এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফদের জন্য: ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা
- আবাসন ও প্রশাসনিক খাত: ৬৬ হাজার টাকা
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা: ৫০ হাজার টাকা
ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা বা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা (যেটি বেশি হবে) পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবেন।
আইন অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়।








