আদালতের আদেশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন মোয়াজ্জেম হোসেন। তাঁর স্ট্যাটাসের মূল বক্তব্যগুলো হলো:
মোয়াজ্জেম দাবি করেন, গতকাল (২৯ মার্চ) আসিফ মাহমুদ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এর ঠিক পরদিনই সিআইডিকে ব্যবহার করে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন— “ভয়টা কাকে, আমি নাকি আসিফ?”
তিনি জানান, দীর্ঘ তদন্তের পর তাঁর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় এর আগে আদালত তাঁকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল এবং আগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছিল।
মোয়াজ্জেম স্পষ্ট করেছেন যে, তাঁর দেশ ছেড়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা বা প্রয়োজন নেই। তিনি চলমান পরিস্থিতিকে ‘অত্যাচার’ হিসেবে অভিহিত করে এর বিচার সৃষ্টিকর্তার ওপর ছেড়ে দিয়েছেন।
সিআইডি সূত্র জানিয়েছে, মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে আসা কিছু নতুন তথ্যের ভিত্তিতে অধিকতর তদন্তের প্রয়োজনে তাঁর বিদেশ গমনে এই নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন তিনি যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সেজন্যই আইনগত এই কড়াকড়ি।
আসিফ মাহমুদের সমর্থকদের মতে, সিটি নির্বাচনে তাঁর সম্ভাব্য জয়যাত্রা ও রাজনৈতিক উত্থানকে বাধাগ্রস্ত করতেই তাঁর সাবেক ব্যক্তিগত সহকারীর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ শিবিরের দাবি—এটি একটি নিয়মিত আইনি প্রক্রিয়া এবং এর সাথে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সম্প্রতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন।
মোয়াজ্জেমের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আসিফ মাহমুদের নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।








