স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার স্বাধীন ও শক্তিশালী পুলিশ সংস্কার কমিশন গড়ে তুলছে, যার একমাত্র উদ্দেশ্য পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখা। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদ আমলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে পুলিশ কোনো গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়, বরং জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু।
মন্ত্রী জানান, নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত অনুযায়ী পুলিশ বাহিনীকে দলীয় প্রভাবমুক্ত, আধুনিক, মানবিক ও সেবাধর্মী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে। সরকারের পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে পুলিশের মনোবল বৃদ্ধিসহ দক্ষ জনবল বৃদ্ধি।
এই প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১ মার্চ শুরু হওয়া ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৭২ জন প্রশিক্ষণার্থী আজ বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করলেন।








